-
|| ʼআমিʼ মানুষ ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita ‘Ami’ Manush ʼআমিʼ মানুষদের সবকিছুই ʼআমিʼ ঘিরে। পৃথিবীতে এমন কিছু নেই যা তাদের হাতের বাইরে। এরা এত বেশী ʼআমিʼ কেন্দ্রীক যে সমগ্র পৃথিবীই ওই আমির চারদিকে ঘোরে। তাদের একটু উৎসাহ দিলে তারা ʼআমিʼর সমুদ্রে ভেসে যায়। দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে অফুরন্ত গল্পের স্রোতে খেই হারিয়ে যায়। সমাজে এইসব ব্যাক্তি সবার কাছে হাস্যস্পদ হয়। ওদের ঠিক করতে মাথার ব্যামো ঠিক করতে হয়।
-
|| কুকুরের কয়েকটি আচরণ ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Kukurer Kichu Acharan কুকুর কাঁদে য়খন তার ক্ষিদে পায়। এছাড়াও তার যখন কোনোও কষ্ট হয়। বাড়ীতে কেউ মারা গেলে তার বিয়োগ ব্যখাায় সে কাঁদে। প্রাকৃতিত বেগেও, সে ছোটাচুটি করে আর কুঁই কুঁই করে কাঁদে। মনিবের রাগে সে কষ্ট পেলে কোনোও এক জায়গায় লুকিয়ে থাকে। আবার কখনও কখনও, মনিবের রাগ কমাতে তার পায়ে পায়ে ঘুরে বেরাতে থাকে। আবার মনিবের ওপর সে রেগে কোনোও কুকর্ম করলে সে মনিবের কাছে আসে না। তবুও কুকুরের মতো এত ভাল বন্ধু মানুষের আর একটিও মেলে না।
-
|| বাবাকে জানলো পনেরো বছর পর ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Babake Janlo Panero bachar por পনেরো বছর আগে, সপ্না জন্ম দিল এক টূইন ডটারের। অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাক্টিভ টেকনিক সেন্টারে জন্ম হʼল তাদের। সেন্টার স্বামীর শুক্রানুর বদলে অন্য লোকের শুক্রানু প্রতিস্থাপিত করে। সেই গন্ডগোল জানা গেল প্রায় পনেরো বছর পরে। সরকার ফাইন করেছে এক লক্ষ টাকা ডিরেক্টরকে। আর তিরিশ হাজার টাকা অপরাধী ডাক্তারকে। পনেরো বছর পর, মেয়ে দুটি জানলো খবর তাদের নতুন বাবার। কিন্তু কি অপরাধ ছিল মেয়ে দুটির আর তাদের পুরোনো বাবার?
-
|| টাইটানে রুবিক্স কিউব ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Titane Rubix Cube উনিশ বছরের এক কিশোরের শখ রুবিক্স কিউব নিয়ে। বারো সেকেন্ডে সল্ভ করতো সেটা সবাইকে তাক লাগিয়ে। বাবার অনুরোধে টাইটানে সে গিয়েছিল এ্যাডভেন্চার করতে। তার মনে ছিল, বারো হাজার ফুট নিচে বারো সেকেন্ডে রুবিক্স সল্ভ করবে সে। বাবার কাছে একটা ভালো ক্যামেরাও কেনে সে এ কাজটা রেকর্ড করতে। এ কাজটায় বিশ্বরেকর্ড করে গিনেস বুকে নাম লেখাতে। আটলান্টিকের ধ্বংসাত্বক বিস্ফোরণে প্রান গেল সবার। সাগরের অতলে ধ্বংস হলো তার ইচ্ছা গিনেস বুকে নাম লেখাবার।
-
|| সময় পাব না, ওই কাজটা আছে ||
Audio File Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Samay Pabo na, Oi Kaajta Aache কাজ তো আমরা অনেক করি, সকাল থেকে রাত্রি। একটু নিয়ম মানলে পরে কাজ মনে হবে এক রত্তি। প্রাকৃতিক কাজ – ঘুমোনো, খাওয়া, ….. এসব না করলে উপায় নেই। রুটিন কাজ – দাঁত মাজা, অফিস যাওয়া …. এগুলো তো করতে হবেই। আরজেন্ট কাজ আসেই সবার কারো বিয়েতে যাওয়া, কারও বা অন্য কিছুই। মেন্টেন্যান্স কাজ সবাইকেই করতে হয় যখন তার সময় থাকে তখনই। এসব ছেড়েও, কারো রিকোয়েস্টে অন্য কাজেরও সময় চাই। কেউ বলবে, আমি দারুন ব্যস্ত, আমার দম ফেলারও সময় নেই। একটা উপায় আছে কিন্তু নতুন কাজটা…
-
|| রাম ডাক্তার ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Ram Dakter রামবাবু একটি প্রত্যন্ত গ্রামে করেন ডাক্তারী। ছʼফুট দু ইন্চি লম্বা মানুষটি দেখতে খুবই রাশভারী। তার গলার আওয়াজটিও বেশ গমগমে। এম.বি.বি.এস পাশ করে ফেরেন নিজের গ্রামে, ছেড়ে দিয়ে শহরের লোভনিয় চাকরী। তাঁর মতে, নিজের চিকিৎসা দিয়ে গ্রামের মানুষদের সেবা করা বেশী দরকারী। গ্রামে যে মানুষগুলো থাকে তারা বিনা চিকিৎসায় মারা যায়। সত্যিই অসুখ করলে এখানে সবাই খুব অসহায়। আবার শহরে চিকিৎনা করতে গেলে লাগে অনেক সময়। এছাড়া টাকা পয়সাও অনেক বেশী খরচ হয়। এখানে আশেপাশের গ্রামেও ভাল ডাক্তার নেই। তাই সবাই ছুটে আসে এই রাম ডাক্তারের কাছেই। ধন্বত্বরি ডাক্তার…
-
|| কথা না কাজ ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Kotha na Kaaj কোনটি বেশী জরুরী, কখা না কাজ। কাজকে সবাই এগিয়ে দেবে এখন দেখা যাক। বাচিক শিল্পী হলে কথা বলাটাই তো তার কাজ। আবার রঙের মিস্ত্রি হলে রঙ করাটাই তার কাজ। তাই সমান-সমান, দুটোই সমান দরকারী। এখন কখন কোনটা প্রয়োজন সেটা জানাটাই বেশী জরুরী। একটি ছেলে তখন সে ম্যাথসে অনার্স পরীক্ষা দেবে। একটা সময় সে ঠিক করলো কথা বলা বন্ধ করবে। দিনের পর দিন সে ইসারায় কথা বলে। অঙ্ক করা ও তার চিন্তায় এইভাবে তার দিন চলে। পুরো এনার্জির বেশীর ভাগটাই সে অঙ্কের জন্য খরচ করে। এতে প্রিপারেশন তো ভাল…
-
|| টাইটানিক ও টাইটান ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Titanic o Titan টাইটানিকের মতো টাইটানও ধ্বংস হলো দু হাজার তেইশে। কʼদিন আগে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে গেল পাঁচজন। তারা যে সাবমেরিনে করে দেখতে গেল তার নাম টাইটান। উনিশশো বারো সালে টাইটানিক ধ্বংস হয়। আর দু হাজার তেইশে, তাকে দেখতে গিয়ে টাইটানও শেষ হয়ে যায়। টাইটান সাবমেরিন বিস্ফোরণে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। বিস্ফোরণের কারণ জানা যাবে পরে। টাইটানের পথ-প্রদর্শক জাহাজ বিচ্ছিন্ন হয় শুরুর পোঁনে দু ঘন্টা পরে। এটা সম্ভবত প্রধান কারণ হলেও হতে পারে। টাইটানিকের ধ্বংসে এক দম্পতির মৃত্যু হয়েছিল। টাইটানেও আরেক দম্পতি, পাইলট এবং তার স্ত্রীর মৃত্যু হলো। টাইটানিকের মৃত দম্পতির গ্রেট গ্রেট গ্র্যানচাইল্ড,…
-
|| ঝড় ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Jhar এই কালবৈশাখীর ঝড়ে উড়িয়ে নিয়ে যাক সব কলুষতা। যত শুকনো ডালপালা আছে শেষ হোক সব মলিনতা। ঝড়ের শেষে- বৃষ্টি নামুক অঝোরে। শুকনো ডালে দেখা দিক সবুজের প্রাণস্পন্দন। ঝলমলিয়ে উঠুক পৃথিবী, সর্বত্র হোক দৃষ্টিনন্দন। মানুষ প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নিক, থাকুক মুখে তার হাসি। রঙিন এই পৃথিবীর ছবি, আমরা সবাই ভালবাসি।
-
|| আলো ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Alo এত অন্ধকার কেন? মানুষে মানুষে এত হানাহানি, এত বিদ্রুপ, এত কানাকানি? সিংহাসনের দিকে ল্যলুপ দৃষ্টি, এরাই কি বিধাতার সৃষ্টি? সূর্য্যের তো এত আলো… পৃথিবীতে সেটা কোথায় গেল? তবুও এত অন্ধকার কেন? মানুষ নিজের হাত, নিজেই দেখতে পাচ্ছে না. এ পৃথিবী নিঃচিহ্ন হবে যেন। কবে আসবে সেই আলোর দিশারী? কবে পৌঁছুবে সেই আলো? প্রতিটা প্রাণে তাঁর পদধ্বনি অনুরণিত হবে. ঘুচবে পৃথিবীর যত কালো। পৃথিবী উদ্ভাসিত হবে সেই আলোতে, মানুষের নতুন প্রাণ জন্ম নেবে। সবুজের সুঘ্রাণে চারিদিক ম ম করবে, মানুষ বাঁচবে।




























