-
।। গান শোনা। ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Gaan Shona গান শুনতে স্টিরিও, মোবাইল আর লাগে রেডিও। টিভিতে থেলা, সিরিয়াল চলে আর চলে নাচ-গানও। চোখ বন্ধ করে গান শোনাতে মজা যেমন আছে, তেমনি মজা পাবে কি আর সঙ্গে চটকদারী নাচে। গানের সঙ্গে নাচ দেখাটাই চলছে এখন জমজমাটি। রবীন্দ্রসংগীত শুনতে গেলে বেষ্ট আমার স্টিরিওটি।
-
|| চড়কের মেলা ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Charaker Mela চৈত্র্য সংক্রান্তিতে চড়কের মেলা একটা বড় মাঠে বসেছে। মাঝখানে বিরাট গাছের খুঁটি করে ওপরে লম্বা বাঁশ বাঁধা আছে। একটু পরে সন্যাসীরা ওই বাঁশে নিজেদের বেঁধে ঘুড়়বে। চারিদিকে কত মানুষ তাদের বিভিন্ন পসরা নিয়ে এসেছে। ওখানে গরম গরম জিলিপি সবাই ভীড় করে খাচ্ছে। পাশে পাপড়ের দোকানে বড়রা পাপড় কিনে ছেলেমেয়ের হাতে একটা করে ধরিয়ে দিচ্ছে। তার পাশেই একটা মাটির পুতুলের দোকান হয়েছে। বিভিন্ন দেব-দেবীর অনেক মূর্তি আর ছোট ছোট সুন্দর পুতুল আছে। একটা বাচ্ছা মেয়ে অনেকক্ষণ ধরে একটু দূরে দাঁড়িয়ে আছে। কত ছেলেমেয়েরা বড়দের সঙ্গে এসে কোনোও পুতুল বা মূর্তি কিমে…
-
|| হোয়াটঅ্যাপে এক চার তিন দুই ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Whatsapp e 1432 হোয়াটঅ্যাপে একটি ছেলের সঙ্গে একটি মেয়ে চ্যাট করছে। কথাগুলো চলছে সব কোড ল্যাঙ্গুয়েজে। ছেলেটি লিথলো, এক-চার-তিন। মেয়েটি উত্তর দিল, এক-চার-তিন-দুই। বুঝলেন কিছু? আমিতো বুঝিনি। এক-চার-তিন মানে আই লাভ ইউ। আর এক-চার-তিন-দুই মানে আই লাভ ইউ টু। তেমনি বি এ ইউ মানে বিসনেস অ্যাস ইউজুয়াল। এল ও এল মানে লাফিং অউট লাউডার। শেষে আমি বলি, ʼটি ওয়াইʼ, থ্যাঙ্ক ইউ।
-
।। কন্যা সম্প্রদান ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Kanya Sampradan রীতা জাতীয়দলে একজন নামকরা ফুটবল প্লেয়ার। সে এক গ্রামের মেয়ে তার বাবা শহরে ঠিকাদার। বিকাশ বাবু তার কোচ ছোটবেলা থেকে। রীতার ফুটবলে আগ্রহ দেখে তাকে নিয়েছেন ডেকে। বিকাশবাবু ছেলেদেরও খেলা শেখান, তবে সেটা অন্য সময় থেকে। ছেলেদের দলে কমল খুব ভাল প্লেয়ার। রীতার আবার স্পেশাল বন্ধু সে দুজনে একসঙ্গে প্র্যাকটিস করে আবার। বিকাশবাবু সব শুনে দুই বাড়ীর সঙ্গে কথা বলেন। দুগক্ষই রাজী জেনে ওদের বিয়ের ঠিক করেন। সব স্টুডেন্টরা তার ছেলে মেয়ের মতো দেন কথোনো গাড়ীভাড়া, কখোনো খাবার। ইন-ডিসিপ্লিন কাজকর্ম দেথলে বকুনিটাও আছে তার আবার। বিয়ের দিনে সবাই আসে…
-
।। মিষ্টি নিয়ে বিব্রত ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Misti Niye Bibrata সেদিন ছিল গুরুপুর্ণিমা, আমি যাচ্ছি অঙ্কের এক মাস্টারমশায়ের বাড়ীতে। আমার সঙ্গে আমার সতীর্থ গৌতমও যাচ্ছে আমার সাথে। স্যারের বাড়ীতে যাবার আগে আমরা কিনি ফুল আর মিষ্টি। জানিনা তখন, সেটাই বোধহয়, বেদম অনাসৃষ্টি। যেখান থেকে যাচ্ছি, সেটা খুব কাছেই। তাই আমরাও ওখানে যাচ্ছি হেঁটেই। একটু পরেই পৌঁছে যাই স্যারের বাড়ী। বাড়ীতে ঢুকে স্যারকে ডাকাডাকি করি। খানিক পরেই স্যারের বৌ বেরিয়ে এসে বলে, স্যার মারা গেছেন কয়েকদিন আগে। গুরুপুর্ণিমার দিনে হঠাৎ গুরুর মৃত্যু সংবাদ শুনে হতচকিত হয়ে যাই। তখন মিষ্টি আর ফুল নিয়ে কি করব বুঝতে পারি না। সামনে…
-
|| সিঙ্গেল হওয়ার জ্বালা ||
Single howar Jwala Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita ʼঅফিসে চলে এসʼ ʼকালকে সকালেʼ। রোহিতের বস রোহিতকে বলে। ʼস্যার কালকে আমার একটাʼ ʼইমপর্ট্যান্ট কাজ আছেʼ। ʼআপনি বরং পূর্ণিমাদিকে বলুনʼ, ʼসকালে চলে আসতেʼ। ʼনা ওর ছোট বাচ্ছা আছেʼ, ʼএত দেরী করে বলা যায় না ওকেʼ। ʼতুমি ব্যাচেলর ছেলেʼ, ʼতোমাকে যখন তখন বলতে পারিʼ। ʼস্যার, আমি ব্যাচেলর বলে আমাকে আসতে হবেʼ?, ʼআমার কাজটাও তো খুব দরকারীʼ। এরপরে রোহিতের সঙ্গে বসের অনেকক্ষণের কথা কাটাকাটি। যার সমাপ্তিতে শেষ হʼল ব্যাচেলর ছেলেটির চাকরীটি।
-
|| মহাজাগতিক ধ্বনি ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Mahajagatik Dhwani Please visit my Youtube Channel : Keleedas Kobita মহাবিশ্বে দুটি ব্ল্যাক হোলের ধাক্কা খেয়ে এক শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, এ জাতীয় শব্দ হয়। দু হাজার পনের সালে মহাবিশ্বে গুনগুন ধ্বনি পাওয়া যায়। যাকে হ্যাম অফ দ্য ইউনিভার্স নামে জানা যায়। এই মহাকর্ষজ তরঙ্গের আওযাজ পালসার টাইমিং এনালিসিস দিয়ে ধরা যায়।
-
|| দুঃখ ও ঘুম পারানি গান ||
Dukhkho o Ghum Parani Gaan Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita কেউ চায় না নিজের ইচ্ছেয় দুঃখ পেতে জীবনে। কিন্তু দুঃখের গান সবারই পছন্দ, কেন যে কে জানে। ব্যথার গান শুনতে সবার অনাবিল সুখ। সবাই এ গানে এতই মজে যে কেউ হয় না বিমুখ। আবার বাচ্ছা চলে যায় নিঃছিদ্র ঘুমে মায়ের ঘুম পারানি গানে। বাচ্ছা থাকে নিশ্চিন্ত প্রশান্তিতে সুখ থাকে তার মনে।
-
|| স্লিপ প্যারালিসিস ||
Sleep Paralysis Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita ঘুম আর জেগে ওঠা এর মাঝের সময়টা ক্ষণস্থায়ী হয়। এই সময়ে মস্তিস্ক সক্রিয়, কিন্তু শরীর সক্রিয় নয়। এই ক্ষণস্থায়ী অবস্থাকেই স্লিপ প্যারালিসিস বলে। এই সময়ে মুখ থেকে কথাও বেরোয় না। হাত-পা ও ইচ্ছে মতো নাড়ানো যায় না। বুকের মধ্যে মনে হয় কিছু চেপে বসে রয়েছে। কথা বলতে চেষ্টা করলেও, শোনা যায় – কোনোও গোঙানির আওয়াজ হচ্ছে। এই সময়ে অনেকের হ্যালুসিনেশন হয়। কোনোও কিছুর ভয় পাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়। আগে এই অবস্থা দেখলে সবাই বলতো, ʼওকে ভূতে পেয়েছেʼ। এখন এই নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডারে অনেকেরই চিকিৎসা করে উপকার হয়েছে।
-
|| ডক্টরস ডে ২০২৩ ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Doctor’s Day, 2023 উনিশশো তেইশের ডক্টরস ডে আজ। তাঁরা সত্যিই ভগবানের মতো এটা করেছে তাঁদের কাজ। মৃতপ্রায় অনেক মানুষ হসপিটালে আসে। তারা সুস্থ হয়ে বাড়ীতে ফেরে নতুন হয়ে বাঁচে। কত মানুষ নানান কষ্ট নিয়ে ডাক্তারের কাছে যায়। ওষুধ খেয়ে, অপরাশনে তারা ঠিক হয়ে যায়। ভগবান মানুষকে প্রাণ দিয়েছেন সেই প্রাণ রক্ষা করেন ডাক্তারবাবুরা। যে প্রাণ প্রায় বেরিয়েই যাচ্ছিল ডাক্তারবাবুরা ধরে আনেন সেই প্রাণভোমরা। সব ডাক্তারবাবুদের প্রণাম জানিয়ে শেষ করি আমার কবিতা। আগামী জন্মে ডাক্তার হʼতে চাই যদি হয় মোর যোগ্যতা।



























