-
Uttam Kumar, A Positive Man
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Uttam Kumar, the Positive Soul, A tale of days in celluloid roll. Shooting for “Harano Sur” did unfold, Ajay Kar directing, a story to be told. Suchitra Sen and Uttam Kumar, stars so bright, In lead roles, their talents taking flight. 1977, Calcutta’s bustling streets, A cityscape where time and life meets. Studio Para, an elderly village’s charm, Where creativity weaves its artistic arm. One government bus, a lone traveler’s ride, Sunset brought its end, by evening’s side. Technicians toiled, preferred the twilight’s grace, Finishing their work at evening’s embrace. Else they faced the toil of the road, Homeward bound,…
-
|| ভক্ত – দ্বিতীয় অংশ ||
Bhakta Part Two Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita একটু পরে নিজেকে সামলে জমিদারবাবু বললেন, ʼতুমি আজকে থেকেই এখানে আসতে পারʼ। ʼআমার অন্দরমহলে একটা কাজ আছেʼ ʼসেটা তুমি চাইলে করতে পারʼ। ʼকাজটা একটু ঝামেলারʼ ʼআমার ফাই-ফরমাস খাটতে হবেʼ। ʼতোমার এখানে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা হবেʼ, ʼআর মাসে তিন হাজার টাকা মাইনে পাবেʼ। ভক্ত তো এক কথায় রাজী বললো, ʼআমি কৃপাকে বলে আসছিʼ। ʼএকটু পরেই আমি গোপালজীকে ʼ ʼসঙ্গে নিয়ে এখানে চলে আসছিʼ। একটু পরেই ভক্ত জমিদার বাড়ীতে এসে হাজির হলো। একটা বিরাট ঘরে তার থাকার ব্যবস্থা হলো। এত বড় ঘর সে দেখেনি আগে মনে মনে গোপালজীকে বারবার ধন্যবাদ…
-
|| ভক্ত – প্রথম অংশ ||
Bhakta – Part One Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita গোপালজীকে নিয়ে যাচ্ছে ভক্ত এক্কেবারে একা যাচ্ছে সে। একটা মানুষই ভক্তের সঙ্গে ছিল এতদিন একটু আগেই ইহলোক ছেড়েছে সে। মানুষটি আর কেউ নয় সে ভক্তের ঠাকুমা। ছোটবেলা থেকে সেই ভক্তের বাবা ও মা। সেই ছোট্ট ছেলে ভক্তকে ঠাকুমাই মানুষ করেছে। তাই ঠাকুমা মারা যাবার পর ভক্ত পৃথিবীতে এক্কেবারে একা হয়ে পরেছে। ছোটোবেলা থেকেই সে হাত জোর করে বসে থাকতো গোপালজীর কাছে। তার ভক্তি দেখে ঠাকুমাই ওর নাম ভক্ত রেখেছে। বিকেলবেলা ভক্ত ঠাকুমাকে দাহ করে চোখে জল আর গোপাজীকে নিয়ে চলেছে। কোথায় যাবে তা সে জানে না …
-
|| উত্তমকুমারের জীবনের কিছু অজানা কথা ||
Some Untold Story of Uttam Kumar Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita উত্তমকুমারের অনেক কথা এগুলো অনেকেরই নয় জানা। কিছু কথা বলেছেন ওনার এক কো-অ্যাকটার তার নামটা থাক না অজানা। অভিনয়ের প্রথম প্রবলেম যা সবারই হয়ে থাকে। হাতটা কোঘায় রাথব আমি এ চিন্তা মনে ঘুরপাক করতে থাকে। নতুন নায়িকা এটি বলায় উত্তমকুমার তাকে উদ্ধার করে। কখনও চুল, কখনও শাড়ী কিম্বা গলার হার এসবে হাত দিয়ে সে এটা ম্যানেজ করে। এবারে সেই শেষ শটের ঘটনা উত্তমকুমার সিঁরি দিয়ে নিচে নামছেন। অকেকবার শটটি নেওয়া হয়েছে কিন্তু উনি বারবার রিটেক করছেন। কিছুতেই ওনার পছন্দ হচ্ছে না, ওনার মনে হচ্ছে অভিনয়টা…
-
|| বিখ্যাত অভিনেত্রী মীনাকুমারী কে জানেন? ||
Do You Know the Origin of Renowned Film Star Minakumari Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita বিখ্যাত অভিনেত্রী মীনাকুমারী উনিশশো বাহাত্তরে পাকিজা করেন। তার আগে সাহেব বিবি অউর গুলাম, পরিনীতা ও বৈজুবাওরা ছবিতে অভিনয় করেন। নায়িকা হয়ে প্রথম সিনেমা উনিশশো উনপঞ্চাশে বীরঘাতক ছবিতে অভিনয় করেন। তবে ছʼবছর বয়েসে উনিশশো উনচল্লিশে বেবী মীনা নামে অভিনয় শুরু করেন। তার আসল নাম মেহজবীন বানু জন্ম হয় উনিশশো তেত্রিশে মুম্বইতে। মায়ের নাম ইকবাল বানু যার আগের নাম ছিল প্রভাবতী বিয়ের আগে। মা সুকন্ঠী ও নৃত্য-পটিয়সি ছিলেন তিনি ধর্মান্তরিত হয়ে নিকা করেন, হারমোনিয়াম বাদক ও সংগীত শিক্ষক মুম্বাইয়ের আলি বক্সের সাথে। ইকবাল বানুর…
-
|| মান্না দের বুকে ব্যথা কেন?||
Manna Deyer Buke Byatha keno? Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita মান্না দে রোজকার মতো গানের রেওয়াজ করছিলেন ব্যাঙ্গালোরের বাড়ীতে। হঠাৎ গান বন্ধ করতে হলো তার বুকে অসম্ভব ব্যথাতে। দেবী শেঠিকে ফোন করা হলো তিনি বললেন পরীক্ষা করতে হবে। তাই ওনার সাজেসন, ইমেডিয়েটলি হসপিটালে অ্যাডমিট করতে হবে। মান্না দে তাই চললেন দেবী শেঠির হসপিটালের পথে। মান্না দের সঙ্গে তার এক আত্মিয়ও যাচ্ছেন তার সাথে। হসপিটালালের গেটের মুখে বেশ ভালো ভীড় আছে জমে। সামনে একটু এগিয়ে বোঝা গেল আসল ব্যাপারটি ক্রমে। বাইরের কেউ নয়, হসপিটালের কর্মচারীরাই দুপাশে দাঁড়িয়ে আছে। ডঃ শেঠির কাছে খবর পেয়ে সবাই ফুল জোগার…
-
|| ভুঁড়ি কেলেঙ্কারী ||
Bhunri Kelenkari Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita ইয়াং ছেলেরা বাববার নিজের চেহাড়া খেয়াল করে। এতটূকুও ভুঁড়ি চলবে না তো সে যে হিরোর চেহাড়া নষ্ট করে। মেয়েরাও যখন ইয়াং থাকে ভুঁড়ির চিন্তা নেই যে তার। ফুচকা আর আলুকাবলি সবসময়েরই পছন্দের খাবার। ভুঁড়ি-টুঁড়ি কেন হবে ওসব প্রবলেম ছেলেদের। মেয়েদের ওসব ফ্যাট-ট্যাট লাগেনা নেই ঝামেলা এই বয়েসের। ব্যাপারটা তো অনেকটাই ঠিক কিন্তু সবটা সত্যি নয়। ছেলেদের ভুঁড়ি সত্যি তাড়াতাড়িই বাড়ে মেয়েদের অত তাড়াতাড়ি নয়। ভুঁড়ি আসলে সকলেরই হয় এক্সারসাইজ না করলে। যে খাবার থাই আমরা তার ক্যালোরি খরচ না হʼলে। ফ্যাট তৈরী হয় ওই না খরচ হওয়া…
-
|| সাকসেস পেতে ||
Success Pete Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita মনটা ভাল আছে? ওকে তো নিতেই হবে। তাই খারাপ হলে জোর করে হাসতে হবে। রাত্রের অন্ধকারের পর প্রতিদিন সূর্য্য ওঠে। অন্ধকার মেঘে ঢাকা পৃথিবীতেই কিছু পরে ঝলমলিয়ে রোদ্দুর ওঠে। অন্ধকার মেঘে শান্ত থেকে রোদ্দুরে মনও ঝলমলিয়ে উঠবে। কালের নিয়মে, সময়ের হাত ধরে দুঃখের পর ভাল দিনও আসবে। ভাবতে হবে, পৃথিবীতে যা হচ্ছে তা ভালোর জন্যই হচ্ছে। মানব জীবনে যন্ত্রণা তো থাকবেই সেটাকে ভুলতে হবে। পরিশ্রম করে নিজের কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। স্বপ্নের মাইলস্টোন এ রাস্তার অনেকটা দূরে। মাঝে আবার পথটা গেছে একটু ঘুরে। রাস্তায় যে মাইলস্টোনগুলো…
-
|| পিলুর পজিটিভ মাইন্ড ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Pilur Positive Mind বারো বছরের ছেলে পিলু খবরের কাগজ বিক্রি করে। পড়াশুনা তার রাত্রের কাজ সে এক মাস্টারমশায়ের বাড়ী গিয়ে পড়ে। স্কুলে পড়ার টাকা নেই তার সরকারী স্কুল নেয়না তাকে। বার্থ সার্টিফিকেট নেই য়ে তার জোগার করবে কোত্থেকে সে। মাস্টারমশায়ের ফাইফরমাস কাজ করে দেয় পড়ার ফিসের বিনিময়ে। নেই কোনও তার স্কুলের পরীক্ষা তাই ক্লাসও বাড়ে না পরীক্ষা দিয়ে। মাস্টার মশাই পড়ান তাকে সেইসব ক্লাসের ছাত্রের সাথে, পিলুর নলেজ যাদের সমান এতদিনে পড়ে তার কাছে। বাড়ীতে আছে বিধবা মা কয়েক বাড়ীতে কাজ করে সে। মা সবসময়ই পিলুকে বলে ʼভাল মানুষ হতে…
-
|| উত্তমকুমার – এ পজিটিভ থিঙ্কার ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita Uttam Kumar – A Positive Thinker উত্তমকুমারের প্রযোজনায় শুটিং চলছে হারানো সুর ফিল্মের। পরিচালক অজয় কর ও প্রধান ভূমিকায় আছেন সুচিত্রা সেন ও উত্তমকুমার। সময়টা উনিশশো সাতান্ন সাল কলকাতা তখন এখনকার শহরতলীর মতো। স্টুডিও পাড়া টালিগন্জ প্রায় এক বর্দ্ধিষ্ণু গ্রামের মতো। একটাই সরকারী বাস ছʼনম্বর চলতো তাও সন্ধ্যের পরে সেটাও উধাও হতো। তাই টেকনিশিয়ানদের পছন্দ ছিল সন্ধ্যের মধ্যে কাজ শেষ করতে। নাহলে তাদের দুর্দশা হতো বাড়ী ফেরার গাড়ী পেতে। সেদিন একটি মূল্যবান দৃশ্যের শুটিং বাকী গানের সঙ্গে উত্তম-সুচিত্রার শট নিতে হবে। পরিচালকের ফরমায়েস দুটি ভাল রজনীগন্ধার মালা যোগাড় করতে হবে। মালা…




























